Sunnah Fasting

সোমবার ও বৃহস্পতিবারে রোজা রাখার ফজিলত

বিভাগ: বেসিক ইসলাম

সম্ভাব্য পড়ার সময়: ১ মিনিট

সোমবার ও বৃহস্পতিবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রেখেছেন খুব গুরুত্বসহকারে এবং সাহাবিদের এ দুদিন রোজা রাখার প্রতি উৎসাহিত করেছেন।

 সোমবারের সাওম

আবূ কতাদাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে সোমবারের সাওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ঐদিন আমি জন্মলাভ করেছি এবং ঐদিন আমার উপর (কুরআন) নাযিল হয়েছে। ~রেফারেন্সঃ সহীহ মুসলিম ২৬৪০

 প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়

আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। এরপর এমন সব বান্দাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়, যারা আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করে না। তবে সে ব্যক্তিকে নয়, যার ভাই ও তার মধ্যে শত্রুতা বিদ্যমান। এরপর বলা হবে, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য অবকাশ দাও, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য সুযোগ দাও, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য সুযোগ দাও। ~রেফারেন্সঃ সহীহ মুসলিম ৬৪৩৮

সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখতেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রেখ থাকেন। তিনি বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা সোমবার ও বৃহস্পতিবার এ দু’ দিন পরস্পর সম্পর্ক ছিন্নকারী দু’ ব্যক্তি ব্যতীত প্রত্যেক মুসলিমকে ক্ষমা করেন। তিনি (ফেরেশতাদের) বলেনঃ তারা সন্ধিতে আবদ্ধ হওয়া অবধি তাদের ত্যাগ করো। ~রেফারেন্সঃ সুনান ইবনু মাজাহ ১৭৪০

আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোমবার ও বৃহস্পতিবারের রোযার প্রতি বেশি খেয়াল রাখতেন। ~রেফারেন্সঃ সুনান আত তিরমিজী ৭৪৫

প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার (আল্লাহ তা’আলার দরবারে) আমল পেশ করা হয়

আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার (আল্লাহ তা’আলার দরবারে) আমল পেশ করা হয়। সুতরাং আমার আমলসমূহ যেন রোযা পালনরত অবস্থায় পেশ করা হোক এটাই আমার পছন্দনীয়। ~রেফারেন্সঃ সুনান আত তিরমিজী ৭৪৭

প্রত্যেক নেক আমলের নির্ধারিত সওয়াব ও প্রতিদান রয়েছে, যার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমলকারীকে পুরস্কৃত করবেন। কিন্তু রোযার বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ রোযার বিষয়ে আছে আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে এক অনন্য ঘোষণা। রোযার প্রতিদান আল্লাহ রাববুল আলামীন নিজেই দিবেন এবং বিনা হিসাবে দিবেন।

আল্লাহ ﷻ আমাদের সকলকে রাসূল ﷺ এর সুন্নতের উপর আমল করার তৌফিক দান করুক।🤲🏻

আমীন

শেয়ার:
guest

0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments